‘যুদ্ধের আইন’ কী? কোথা থেকে এসেছে? কীভাবে বাস্তবায়ন হয় ?

ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ বিশ্বের প্রথম কোনও যুদ্ধ নয় যেখানে উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধের আইন’ লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে।

কমবেশি যতবারই বড় কোন সামরিক সংঘাত হয়েছে,ততবার যুদ্ধরত পক্ষগুলো যুদ্ধ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে এবং এ নিয়ে প্রচারণা চালিয়েছে।

সামরিক সংঘাতের সময় যে অভিযোগগুলো বার বার সামনে আসে সেগুলো হল: বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা, শিশু হত্যা, অপ্রচলিত এবং ‘নিষিদ্ধ’ অস্ত্র ব্যবহার, এমনকি ‘গণহত্যা’ এবং ‘যুদ্ধাপরাধ’-এর মতো বড় অভিযোগগুলো সবচেয়ে বেশি সামনে আসে।

সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইসরায়েল এবং হামাস দুটি পক্ষই একই ধরনের অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছে।

ইসরায়েল যেহেতু জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র, তাই তাদের কিছু “আইনি দায়িত্ব” রয়েছে, যেটা কিনা হামাসের নেই। তবে সমালোচকরা বলছেন যে ইসরায়েল তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বগুলো পালন করে না।

বরং উভয় পক্ষই জোর দিয়ে বলে যে, তারা যা করেছে সেটা আন্তর্জাতিক আইন এবং যুদ্ধের আইনি কাঠামোর মধ্যেই ছিল। এভাবে তারা তাদের কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দিতে চায়।

এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিগুলোর মধ্যে একটি হল যুদ্ধের আইনে উল্লেখিত ‘আত্মরক্ষা’ নীতি। উভয় পক্ষই এই আত্মরক্ষার বিষয়টিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।

যুদ্ধের জন্য সত্যিই কি কোন লিখিত আইন আছে যা সবাইকে মেনে চলতে হবে? এই আইনটি কোথায় সংকলিত হয়েছিল? কে এটি অনুমোদন করেছেন? এর বিষয়বস্তু কী? এবং কীভাবে এটি বাস্তবায়িত হয়?

Leave a Comment